• jmamhshdunat1998@gmail.com
  • 01309 119369
Logo

জালশুকা মোজাহার আলী মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়

বিদ্যালয় কোড: ৪১২৮, EIIN: ১১৯৩৬৯ , কেন্দ্র কোডঃ ৪১৯-এ , স্থাপিতঃ১৯৯৮ ইং

  • অফিস লোকেশন :
  • ডাকঘরঃ পেঁচিবাড়ী, উপজেলাঃ ধনুট, জেলাঃ বগুড়া।
  • জালশুকা মোজাহার আলী মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

    ০১। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম (বাংলায় ও ইংরেজিতে):

    জালশুকা মোজাহার আলী মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় JALSUKA MOZAHAR ALI MEMORIAL HIGH SCHOOL

    ০২। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ

    লক্ষ্যঃ যুগোপযোগী ও মান সম্মত পাঠদান করে শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলা এবং জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ ফলাফল নিশ্চত করা সহ জিপিএ-৫ এর সংখ্যা বৃদ্ধি করা।

    উদ্দেশ্যঃ অনগ্রসর ও দরিদ্র এলাকার জন সাধারণকে নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্তি দেওয়া বিশেষ করে নারী শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা।

    ০৩। প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস, প্রতিষ্ঠানের সন, প্রতিষ্ঠাতা মন্ডলীঃ

    উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে সুপরিচিত ও প্রসিদ্ধ একটি জেলার নাম বগুড়া। সেই জেলায় অবস্থিত ধুনট থানাধীন চৌকিবাড়ী ইউনিয়নের অন্তরগত জালশুকা মোজাহার আলী মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি অবস্থিত। অত্র এলাকার জনগণের শিক্ষার অভাব পূরেণর জন্য ১৯৯৮ইং সালে জালশুকা গ্রামের কৃতি সন্তান উপজেলা সেক্টর কমান্ডার রণাঙ্গণের লড়াকু সৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাবিবর রহমান এমপি সাহেবের সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতায় বিদ্যালয়টি তাঁহার শ্রদ্ধেয় মরহুম পিতা ডাঃ মোজাহার আলী আকন্দ সাহেবের নামে নামকরণ করে স্থাপিত হয়। ঐ সময়ে তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রটেকশন ও প্রোটোকল অফিসার থাকাকালীন সময়ে অনগ্রসর এলাকার কথা বিবেচনা করে বিশেষ করে নারী শিক্ষার গুরুত্ব উপলব্ধি করে তিনি এবং তাঁর স্ত্রী মিসেস খাদিজা হাবিব ও তাঁর ভাইগণ বিশেষ করে বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট তোজাম্মেল হক, রেজাউল করিম রেজা, ডাঃ আব্দুল মজিদ, এ্যাডভোকেট ফিরোজ আহম্মেদ সহ যার কথা না বললেই নয় তিনি হলেন তাঁর ছোট ভাই বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও ব্যবসায়ী তৌহিদুল ইসলাম। জালশুকা মোজাহার আলী মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও জালশুকা হাবিবর রহমান ডিগ্রী কলেজ স্থাপন কালীন সময়ে সারক্ষণিক সহযোগিতা করে আসছেন। এছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং এলাকার জনসাধারণ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিদ্যালয়টি স্থাপনের ব্যাপারে সহযোগিতা করেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন মরহুম মতিয়ার রহমান আকন্দ যিনি এমপি মহোদয়ের শ্রদ্ধেয় চাচা, মরহুম আলহাজ্ব মফিজ উদ্দিন সরকার, মরহুম অধ্যাপক সাকিম উদ্দিন, আজাহার আলী খাঁন (সাবেক চেয়ারম্যান), মুক্তিযোদ্ধা মোহামাদ আলী জিন্নাহ, আব্দুল আজিজ ভূঁইয়া (সাবেক ইউপি সদস্য), মরহুম মোস্তাফিজুর রহমান আছাম, মরহুম গাজীউর রহমান (সাবেক ইউপি সদস্য) এনামুল বারী দুলাল এবং শাহ আলম সাহেব যিনি বিলকাজুলী পেঁচিবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাঁর হাতেই প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়। বিদ্যালয়টি ১৯৯৮ইং সালেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, রজশাহী কর্তৃক নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে পাঠদানের অনুমতি লাভ করে এবং ২০০১ইং সালে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি লাভ করে। ঐ বছরেই বিদ্যালয়টি নিম্ন মাধ্যমিক স্তরে এমপিও ভুক্ত হয়। ২০০২ইং সালে বিদ্যালয়টির ৯ম ও ১০ম শ্রেণি খোলাসহ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে এবং ঐ বছরেই এমপিও ভুক্ত হয়। বর্তমান  বিদ্যালয়টিতে একটি চারতলা বিশিষ্ট  পাকা, একটি আধা পাকা  ভবন আছে। ভবনগুলোতে মোট ১৩টি কক্ষ আছে। বর্তমান  বিদ্যালয়টিতে ১৪ জন শিক্ষক, দুইজন ৩য় শ্রেণির কর্মচারী দুইজন ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী ৫জন কর্মরত  আছেন। বিদ্যালয়টিতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৪২৫ জন। মোট জমির পরিমাণ ০.৭৫ একর। ইতিমধ্যে বিদ্যালয়টি শিক্ষকদের একান্ত প্রচেষ্টার ফলে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল শতভাগে উন্নতি করতে সামার্থ হয়েছে। বিদ্যালয়টিতে বিদ্যমান বিজ্ঞান ও মানবিক দুটি শাখায় পাঠদান করা হয়ে থাকে এবং প্রতি বৎসর সহশিক্ষা কার্যক্রম  পরিচালনা করা হয়ে থাকে। যেমন- বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিক্ষাসফর ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। আন্তশ্রেণি শ্রেণি বিতর্ক  প্রতিযোগিতা ইত্যাদি। অত্র বিদ্যালয় হতে পাশ করে ছাত্র-ছাত্রীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত আছে এবং ইতিমধ্যে অনেকেই সরকারী ও বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে করমরত আছে।